১. পরিসংখ্যানের প্রকারভেদ কী কী?
উত্তর: রিসংখ্যান প্রধানত দুই প্রকারের হতে পারে:
- বর্ণনামূলক পরিসংখ্যান (Descriptive Statistics): টি ডেটা সংগ্রহ, সংগঠন, উপস্থাপন ও সংক্ষেপণের সাথে সম্পর্কিত। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের গড়, মধ্যমা, এবং প্রচুরক নির্ণয় করা।
- অনুমানমূলক পরিসংখ্যান (Inferential Statistics): টি নমুনা ডেটার উপর ভিত্তি করে জনসংখ্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি নির্দিষ্ট এলাকার ১০০ জনের ওপর জরিপ করে পুরো এলাকার মানুষের মতামত সম্পর্কে অনুমান করা।
২. পরিসংখ্যানের সীমাবদ্ধতা কী কী?
উত্তর: রিসংখ্যানের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন:
- গুণগত তথ্যের অভাব: রিসংখ্যান সাধারণত সংখ্যাত্মক তথ্য নিয়ে কাজ করে, তাই গুণগত দিক বিবেচনা করা কঠিন।
- ভুল ব্যাখ্যার সম্ভাবনা: েটা বিশ্লেষণে ভুল পদ্ধতি বা পূর্বধারণা ব্যবহার করলে ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যেতে পারে।
- সঠিক তথ্যের প্রয়োজন: রিসংখ্যানের সঠিকতা নির্ভর করে ডেটার মানের উপর; ভুল বা অসম্পূর্ণ ডেটা ভুল ফলাফল দিতে পারে।
৩. পরিসংখ্যানের গুরুত্ব কী?
উত্তর: রিসংখ্যান বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন:
- নীতি প্রণয়ন: রকার ও প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণে পরিসংখ্যানিক তথ্য ব্যবহার করে।
- বিজ্ঞান ও গবেষণা: িজ্ঞানীরা পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে পরিসংখ্যান পদ্ধতি ব্যবহার করেন।
- ব্যবসা ও অর্থনীতি: াজার বিশ্লেষণ, চাহিদা পূর্বাভাস, এবং উৎপাদন পরিকল্পনায় পরিসংখ্যান ব্যবহৃত হয়।
৪. কেন্দ্রীয় প্রবণতা কী?
উত্তর: েন্দ্রীয় প্রবণতা হলো ডেটাসেটের কেন্দ্রীয় মান বা সাধারণ মান নির্ণয়ের পদ্ধতি। প্রধান তিনটি কেন্দ্রীয় প্রবণতা হলো:
- গড় (Mean): ব মানের যোগফলকে মোট মানের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে পাওয়া মান।
- মধ্যমা (Median): াজানো ডেটাসেটের মাঝের মান।
- প্রচুরক (Mode): বচেয়ে বেশি বার ঘটে এমন মান।
৫. পরিসংখ্যানিক উপাত্ত কী?
উত্তর: রিসংখ্যানিক উপাত্ত হলো সেই তথ্য বা মান, যা পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য সংগ্রহ করা হয়। এটি প্রাথমিক বা মাধ্যমিক উত্স থেকে আসতে পারে এবং সাংখ্যিক বা গুণগত হতে পারে।
৬. প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উপাত্ত কী?
উত্তর:
- প্রাথমিক উপাত্ত (Primary Data): ে তথ্য সরাসরি মূল উত্স থেকে সংগ্রহ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, সরাসরি সাক্ষাৎকার বা জরিপের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য।
- মাধ্যমিক উপাত্ত (Secondary Data): ে তথ্য পূর্বে সংগৃহীত ও প্রকাশিত হয়েছে, যেমন বই, প্রতিবেদন, বা অনলাইন উত্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য।
৭. নমুনা গ্রহণের পদ্ধতি কী কী?
উত্তর: মুনা গ্রহণের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, যেমন:
- সরল র্যান্ডম নমুনা (Simple Random Sampling): ্রতিটি সদস্যের সমান সুযোগ থাকে নির্বাচিত হওয়ার।
- স্তরীকৃত নমুনা (Stratified Sampling): নসংখ্যাকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে প্রতিটি স্তর থেকে নমুনা নেওয়া।
- ক্লাস্টার নমুনা (Cluster Sampling): নসংখ্যাকে ক্লাস্টারে ভাগ করে কিছু ক্লাস্টার নির্বাচন করে সেখান থেকে নমুনা নেওয়া।
৮. পরিসংখ্যানিক পরীক্ষণ কী?
উত্তর: রিসংখ্যানিক পরীক্ষণ হলো একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে আমরা কোনো অনুমান বা হাইপোথিসিসের সঠিকতা যাচাই করি। এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
৯. সহসম্পর্ক (Correlation) কী?
উত্তর: হসম্পর্ক হলো দুটি ভেরিয়েবলের মধ্যে সম্পর্কের মাত্রা নির্ণয়ের পদ্ধতি। এটি পজিটিভ, নেগেটিভ বা শূন্য হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, উচ্চতা ও ওজনের মধ্যে পজিটিভ সহসম্পর্ক থাকতে পারে।
0 Comments